View VSAQ Question

(Q) ''আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতাটির মূল কাব্য ও কবির নাম লেখো।

Ans : 'আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতাটি কবি শঙ্খ ঘোষের 'জলই পাষাণ হয়ে আছে' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত কবিতা।

(Q) 'আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতায় কবি কাদের ডাক দিয়েছেন?

Ans : 'আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতায় কবি যুদ্ধবিধ্বস্ত, ছিন্নমূল, নষ্টনীড়, সর্বহারা মানুষদের ডাক দিয়েছেন।

(Q) 'আমরা ভিখারি বারোমাস"- 'আমরা' কারা?

Ans : 'আমরা' হল যুদ্ধবিধ্বস্ত, নিরাশ্রয় সাধারণ মানুষ।

(Q) "আমাদের চোখমুখ ঢাকা"- কবি কেন এ কথা বলেছেন?

Ans : ইতিহাসে সাধারণ মানুষের জায়গা নেই। যদি-বা কোথাও তাদের কথা থাকে তাও নামমাত্র, ঝাপসা। সেখানে তাদের স্পষ্ট অবয়ব ফুটে ওঠে না। তারা থেকে যায় যবনিকার আড়ালে।

(Q) "আমাদের কথা কে-বা জানে"- কাদের কথা কেউ জানে না?

Ans : নির্যাতিত, নিপীড়িত, নিরাশ্রয়, সর্বহারা মানুষের কথা কেউ জানে না, কেউ তাদের খবরও রাখে না।

(Q) "তবু তো কজন আছি বাকি"-উদ্ধৃতিটির মধ্যে কবি কী বার্তা দিতে চেয়েছেন?

Ans : উদ্ধৃতিটির মধ্য দিয়ে কবি আশাবাদের বার্তা দিয়েছেন। যারা বেঁচে আছে তারাই মানবশৃঙ্খল রচনা করে গড়ে তুলবে প্রতিরোধ।

(Q) "আমরা ভিখারি বারোমাস"- বারোমাস ভিখারি কেন?

Ans : সাধারণ মানুষ চিরকালই বঞ্চিত, উপেক্ষিত। সাম্রাজ্যবাদী শাসকশক্তির লোলুপতায় সাধারণ মানুষ তাদের জীবিকা ও আশ্রয় হারিয়ে ভিখারিতে পরিণত।

(Q) "আমাদের ইতিহাস নেই"-এ কথা বলার অর্থ কী?

Ans : ইতিহাস রাজা-মহারাজাদের সংগ্রামের কাহিনিতে মুখর। সেখানে সাধারণ মানুষের জায়গা নেই। তাই সাধারণ মানুষের ইতিহাস নেই।

(Q) "পৃথিবী হয়তো বেঁচে আছে"- 'হয়তো' অব্যয়টি প্রয়োগ করে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

Ans : পৃথিবীর থাকা-না-থাকা নিয়ে সাধারণ মানুষের কিছু যায়-আসে না। তারা সম্পূর্ণ উদাসীন। তাদের এই উদাসীনতা 'হয়তো' অব্যয়টির মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে।

(Q) "আমাদের ইতিহাস নেই"-এ কথা বলা হয়েছে কেন?

Ans : ইতিহাস মানেই সাম্রাজ্যবাদী, পররাষ্ট্রলোলুপ শাসকের কাহিনি, ইতিহাস মানেই রাজরাজড়াদের প্রশস্তি। সেখানে সাধারণ মানুষ উপেক্ষিত। তাদের এই উপেক্ষিত অবস্থা বোঝাতেই কথাটি বলা হয়েছে।

(Q) 'তবু তো কজন আছি বাকি"-ক-জন মিলে কী করা উচিত বলে কবি মনে করেছেন?

Ans : যে ক-জন টিকে আছে, বেঁচে আছে তাদের হাতে হাত মিলিয়ে বেঁধে বেঁধে থাকতে হবে অর্থাৎ মানববন্ধন রচনা করে একজোট হয়ে থাকতে হবে।

(Q) "পৃথিবী হয়তো গেছে মরে"-এমন ধারণার কারণ কী?

Ans : নির্যাতিত, নিপীড়িত, শোষিত, বঞ্চিত মানুষ যেন নেই-রাজ্যের বাসিন্দা, অন্য গ্রহের জীব। পৃথিবীর থাকা-না-থাকায় তাদের কিছু এসে যায় না। তাই পৃথিবী বাঁচুক বা মরুক, সে বিষয়ে তারা উদাসীন।

(Q) "আমরা ফিরেছি দোরে দোরে।"-তারা দোরে দোরে ফিরেছেন কেন?

Ans : নিরাশ্রয়, সর্বহারা সাধারণ মানুষ শান্তি, সুস্থিতির আশায় ঘুরে বেড়িয়েছে সারা পৃথিবীতে। কিন্তু কোথাও পায়নি ভালোবাসা আর ভালো বাসা। তাই তাদের পথ পরিক্রমাও থামেনি।

(Q) "আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি।"-এ কথা বলার কারণ কী?

Ans : বেঁধে বেঁধে থেকে অর্থাৎ জোটবদ্ধ হয়ে থেকে মানবশৃঙ্খল রচনা করে একতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়েই গড়ে তুলতে হবে সাম্রাজ্যবাদী শাসকশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ। তাই এই জোট গঠনের জন্যই কবি উদ্ধৃত কথাটি বলেছেন।

(Q) 'আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতায় ক-টি স্তবক ও ক-টি পঙক্তি আছে?

Ans : 'আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতায় দুটি স্তবক ও চব্বিশটি পঙক্তি আছে।

(Q) "অথবা এমনই ইতিহাস"- কেমন ইতিহাস?

Ans : ইতিহাস সাধারণ মানুষের কথা বলে না, বলে সাম্রাজ্যলোভী শাসকদের কথা। সাধারণ মানুষ সেখানে ব্রাত্য। তাদের কথা যদি-বা থাকে, তাহলে তা গুরুত্বহীনভাবেই লেখা থাকে।